মা আসছেন,
ঘরে ফিরে।
গ্রাম, সম্প্রদায় আর ঐতিহ্যের এক সুতোয় বাঁধা পাঁচটি দিন। মহালয়া থেকে বিসর্জন — এ বছরও কেলাহি সেজে উঠছে উৎসবের রঙে।
শুধু পূজা নয়,
এ আমাদের সম্প্রদায়।
কেলাহি কমিটি দুর্গাপূজা গড়ে ওঠে গ্রামের মানুষের হাতে — প্রতিবেশী, বন্ধু আর পরিবার মিলে প্রতি বছর একসঙ্গে তৈরি করেন এই উৎসব। যা ছিল ছোট্ট এক গ্রামীণ পূজা, আজ তা কেলাহির সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মিলনমেলা।
আচারের বাইরেও কমিটি প্রতি বছর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা আয়োজন করে ও স্থানীয় শিল্পীদের পাশে দাঁড়ায়।
মহালয়া থেকে বিসর্জন — একটাই ছন্দ।
প্রতিটি তারিখ ও সময় কমিটি প্রতি বছর নির্ধারণ করে, নিশ্চিত হওয়ামাত্র এখানে হালনাগাদ হয়।
প্যান্ডেলের ভাষায় নতুন এক গল্প।
পূজা, সংস্কৃতি ও ভোগ — সব এক জায়গায়।
গান, নাচ আর ঢাকের আওয়াজ।
ষষ্ঠীর প্রথম ঢাকের বোল থেকে বিসর্জনের শেষ ধুনুচি নাচ পর্যন্ত।
আমাদের উৎসবের প্রাণকেন্দ্র।
"মা দুর্গা আমাদের ঐক্যের প্রতীক।"
এ বছরের প্রতিমা গড়েছেন [মৃৎশিল্পীর নাম], কমিটির সাথে বহু বছরের সম্পর্কের ধারাবাহিকতায়। প্রতিমা তৈরির আচার ও বিস্তারিত পরিচয় এখানে যুক্ত হবে।
কেলাহির পূজার কিছু মুহূর্ত।
যেকোনো ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ পর্দায় দেখুন।
উৎসবের পেছনের মানুষগুলো।
উৎসবের অংশ হোন।
দুর্গা পূজা মানুষের হাতেই গড়ে ওঠে। স্বেচ্ছাসেবক হতে চান, নিজের দক্ষতা দিয়ে সাহায্য করতে চান, বা এ বছরের আয়োজনে হাত লাগাতে চান — আমরা শুনতে চাই।
আমাদের সম্প্রদায়ের হাত ধরেই সম্ভব।
উৎসবকে সহায়তা করুন।
আপনার প্রতিটি অনুদান — বড় হোক বা ছোট — সরাসরি আচার, প্যান্ডেল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ব্যয় হয়।
স্ক্যান করে অনুদান দিন
আমাদের সঙ্গে উৎসবে আসুন।
কমিটির পক্ষ থেকে সর্বশেষ।
উৎসবকে অনুসরণ করুন।
কমিটির সঙ্গে কথা বলুন।
প্রশ্ন থাকুক বা প্রস্তাব — নিচের ফর্মে লিখুন অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন।
ঠিকানা
কেলাহি কমিউনিটি গ্রাউন্ড, গ্রাম কেলাহি, [জেলা, রাজ্য]